নিজস্ব প্রতিবেদক:আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে মনোনীত প্রত্যাশা প্রার্থী তরুণ রাজনৈতিক নেতা জাহাঙ্গীর এম. আলম। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,তিনি নির্বাচনী এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন এবং কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন।ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত জাহাঙ্গীর এম. আলম বিএনপির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। দলের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে সাংগঠনিক কার্যক্রমে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। তৃণমূলে দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে তার ভূমিকার কথা উল্লেখযোগ্য।রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন তিনি। শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মানবিক সহায়তায় তার উদ্যোগ এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে পরিচিত করেছে।মনোনয়ন পাওয়ার পর জাহাঙ্গীর এম. আলম এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন,“ভোলা-২ আসনের উন্নয়ন এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তরুণ সমাজের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা নতুন ভোলা গড়ে তুলতে চাই। জনগণের দোয়া ও সমর্থন নিয়েই আমি নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছি।ভোলা-২ আসনে জাহাঙ্গীর এম. আলমের প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে তার অংশগ্রহণ আসন্ন নির্বাচনে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা নির্বাচনী মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রকাশিত : বুধবার , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , রাত ০৮:৫৭।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহঃস্পতিবার , ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ , দুপুর ০১:৪৪
ভোলা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রত্যাশা প্রার্থী জাহাঙ্গীর এম. আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক:আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে মনোনীত প্রত্যাশা প্রার্থী তরুণ রাজনৈতিক নেতা জাহাঙ্গীর এম. আলম। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,তিনি নির্বাচনী এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন এবং কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন।ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত জাহাঙ্গীর এম. আলম বিএনপির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। দলের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে সাংগঠনিক কার্যক্রমে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। তৃণমূলে দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে তার ভূমিকার কথা উল্লেখযোগ্য।রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন তিনি। শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মানবিক সহায়তায় তার উদ্যোগ এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে পরিচিত করেছে।মনোনয়ন পাওয়ার পর জাহাঙ্গীর এম. আলম এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন,“ভোলা-২ আসনের উন্নয়ন এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তরুণ সমাজের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা নতুন ভোলা গড়ে তুলতে চাই। জনগণের দোয়া ও সমর্থন নিয়েই আমি নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছি।ভোলা-২ আসনে জাহাঙ্গীর এম. আলমের প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে তার অংশগ্রহণ আসন্ন নির্বাচনে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা নির্বাচনী মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে।