প্রকাশিত : রবিবার , ২৫ মে ২০২৫ , রাত ১১:৪৭।। প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহঃস্পতিবার , ৫ মার্চ ২০২৬ , ভোর ০৫:৪০

বোরহানউদ্দিনে ৬০ বছরের ভোগ দখলীয় জমিজ বরদখলের চেষ্টা চালাচ্ছে ভূমিদস্যু চক্র


ভোলা প্রতিনিধি।ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে মুনসুর আহাম্মদ মুসা হাজী বেপারী বাড়িতে ৬০ বছরের ভোগ দখলীয় মুলাইপত্তন মৌজার বিএস ৫৫৮৯নং খতিয়ানের রেকর্ডিয় জমি জবর দখল করে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি ভূমিদস্যু চক্র। ভূক্তভোগীদের অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, ওই এলাকার মৃত আবদুল ওহাব আলী তার ভাই বারেক মুন্সির থেকে সারে ১৪শতাংশ জমি ক্রয় করার জন্য স্থানীয় গন্যমান্যদের স্বাক্ষি রেখে নগদ টাকা প্রদান করে। বারেক মুন্সি জীবিত থাকাকালীন ওহাবআলীর ওয়ারিশগণদের সে জমিটি দখল বুঝিয়ে দেয়। এমনকি বারেক মুন্সি ওহাবআলীর ওয়ারিশগণদেরকে সে জমির বিএস খতিয়ান করে দিয়ে যায়। কিন্তু তার ইচ্ছা থাকা সত্যেও অসুস্থ্য জনিত করণে ওহাবআলীর ওয়ারিশগনকে সে ওই জমিটির দলিল রেজিষ্ট্রি করে দিয়ে যেতে পারেনি। একটা সময় বার্ধক্য জনিত রোগে সে মারা যায়। তবে মারা যাবর আগে বারেক মুন্সি তার সন্তানদের অছিয়ত করে যায়, ওহাবআলীর ওয়ারিশগনকে এ জমিটি রেজিষ্ট্রি দলিল করে দেয়ার জন্য। কিন্তু আজ পর্যন্ত বারেক মুন্সির অছিয়ত রক্ষা করেনি জমি লুভি স্বার্থপর সন্তান ইয়াসিন মুন্সি ও জামাল মুন্সি। ভূক্তভোগীদের বক্তব্য সূত্রে আরো জানাগেছে, ওহাবআলীর ওয়ারিশগন ক্রয় ও রেকর্ড সূত্রে এ সারে ১৪ শতাংশ জমির মালিক হয়ে ঘর-দরজা, বাগান বাগীচা সৃজন করে দীর্ঘ ৬০ বছর যাবৎ শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছিলো। কিছুদিন পূর্বে এ জমি ও বসত ঘরের উপর লোলুপ দৃষ্টি পরে স্থানীয় ভূমিদস্যু চক্রের মূল হোতা মৃত বারেক মুন্সির ছেলে ইয়াসিন মুন্সি, জামাল মুন্সি ও বারেকের জামাই ফারুক ও ফারুকের ছেলেসহ একটি সঙ্গবদ্ধ ভূমিদস্যু চক্রের। স্থানীয়রা জানায়, ওহাবআলী মারা যাবার পর মারা যায় তার দুই ছেলে শাহিন ও  আজাদ। বর্তমানে মৃত সেই দুই ছেলের স্ত্রী ও এতিম অসহায় সন্তানরা উল্লেখিত এ সারে ১৪ শতাংশ জমিতে নির্মান করা ঘরে তাদের জীবন কাটাচ্ছে। কিন্তু বিধবা নারী ও এতিম সন্তানদের এ আশ্রয়টুকু বর্তমানে কেড়ে নিতে চাচ্ছে ইয়াসিন মুন্সি, জামাল মুন্সি ও বারেকের জামাই ফারুক ও ফারুকের ছেলেসহ ওই এলাকার একটি সঙ্গবদ্ধ ভূমিদস্যু চক্র। সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, এ চক্রের লোকেরা এতিমদের এ শেষ সম্বলটুকু জবর দখল করার জন্য ওহাবআলীর ওয়ারিশদের ফলানো বিভিন্ন প্রজাতীর গাছগুলো কেটে নিয়েগেছে। অন্যদিকে তারা এ জমিটি যবর দখল করার জন্য নতুন করে গাছ লাগাচ্ছে। অন্যদিকে উল্লেখিত ভূমিদস্যুরা তাদের সাথে বহিরাগত কিছু সন্ত্রাসী সাথে নিয়ে এতিম পরিবারের উপর হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে। যাতে তারা ভয়ে এ জমিটি ছেড়ে চলে যায়। এ ব্যপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেণ উল্লেখিত অসহায় এতিম ভূক্তভোগী পরিবার। এ ব্যাপারে অভিযুক্তরা তাদের অভিযোগ অস্বীকার করে।