ভোলা প্রতিনিধি।ভোলায় চাঁদার দাবিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর, লুটপাট ও ব্যবসায়ীকে মারধর কারার অভিযোগ স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে । ভোলা সদর উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের রাড়ীরহাট বাজারে সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান, কয়েকজন লোক এসে রাড়ীরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন বিশ্বাস এর কাছে টাকা চায়। মহিউদ্দিন টাকা দিতে রাজি না হলে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে মহিউদ্দিনকে মারধর করে এবং তার দোকান ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। এতে মহিউদ্দিন আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী বাবু ও মুন্না তাদের দলবল নিয়ে এসে মহিউদ্দিনের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা দিতে বলে। মহিউদ্দিন টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় মহিউদ্দিনকে তারা বেধড়কভাবে মারধর করে। মেরে তাকে আহত করার পরে দোকানের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে দোকানে থাকা নগদ টাকা, বিকাশের মোবাইল ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। দোকানের সমস্ত আসবাবপত্র ভেঙ্গে দেয়। দোকানে তালা লাগিয়ে দেয়। টাকা না দিলে বাড়িতে হামলা করার হুমকিও দেয়। আহত মহিউদ্দিনের বাবা হারুন বিশ্বাস বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী বাবু ও মুন্না তাদের দলবল নিয়ে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন জায়গায় হামলা লুট চাঁদাবাজি এগুলা করে আসছে। তাদের ভয়ে কেউ কোন কথা বলতে পারছে না। ভোলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ তার আত্মীয় এমন পরিচয়ে সবাইকে হুমকিও দেন মুন্না। এমনকি এ হারুন বিশ্বাসসহ তাদের পরিবার খুবই আতঙ্কে রয়েছে। এজন্য তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।অভিযুক্ত মুন্নার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণই তার ব্যক্তিগত বিষয়। এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদেরকে কোন কিছুই জানাতে আগ্রহী নয়।
প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার , ২৭ মার্চ ২০২৫ , বিকাল ০৩:৩২।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ রবিবার , ১৫ মার্চ ২০২৬ , দুপুর ০২:৫৩
ভোলার উত্তর দীঘলদিতে চাঁদার দাবীতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর, লুটপাট
ভোলা প্রতিনিধি।ভোলায় চাঁদার দাবিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর, লুটপাট ও ব্যবসায়ীকে মারধর কারার অভিযোগ স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে । ভোলা সদর উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের রাড়ীরহাট বাজারে সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান, কয়েকজন লোক এসে রাড়ীরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন বিশ্বাস এর কাছে টাকা চায়। মহিউদ্দিন টাকা দিতে রাজি না হলে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে মহিউদ্দিনকে মারধর করে এবং তার দোকান ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। এতে মহিউদ্দিন আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী বাবু ও মুন্না তাদের দলবল নিয়ে এসে মহিউদ্দিনের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা দিতে বলে। মহিউদ্দিন টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় মহিউদ্দিনকে তারা বেধড়কভাবে মারধর করে। মেরে তাকে আহত করার পরে দোকানের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে দোকানে থাকা নগদ টাকা, বিকাশের মোবাইল ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। দোকানের সমস্ত আসবাবপত্র ভেঙ্গে দেয়। দোকানে তালা লাগিয়ে দেয়। টাকা না দিলে বাড়িতে হামলা করার হুমকিও দেয়। আহত মহিউদ্দিনের বাবা হারুন বিশ্বাস বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী বাবু ও মুন্না তাদের দলবল নিয়ে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন জায়গায় হামলা লুট চাঁদাবাজি এগুলা করে আসছে। তাদের ভয়ে কেউ কোন কথা বলতে পারছে না। ভোলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ তার আত্মীয় এমন পরিচয়ে সবাইকে হুমকিও দেন মুন্না। এমনকি এ হারুন বিশ্বাসসহ তাদের পরিবার খুবই আতঙ্কে রয়েছে। এজন্য তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।অভিযুক্ত মুন্নার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণই তার ব্যক্তিগত বিষয়। এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদেরকে কোন কিছুই জানাতে আগ্রহী নয়।