জসিম রানা, ভোলা। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ টি এম লোকমান এর যোগসাজসে চতুর্থ শ্রেনীর এক কর্মচারির চাকুরী করেন অন্যজনে। মাসিক বেতন নেন প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারী ভাগ করে।সূত্রে জানাযায়, প্রায় দুই বছর আগে পক্ষিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারির কোটায় চাকুরি হয় মোঃ শাকিল নামের এক যুবকের।কাগজপত্রে শাকিল এর নাম থাকলে ও শাকিল করেন রাজধানী ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি। এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লোকমানের যোগসাজসে শাকিলের চাকরি করেন জসিম উদ্দিন। মাসিক বেতন নেন শাকিল, প্রধান শিক্ষক ও জসিম উদ্দিন ভাগ করে।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জসিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি দীর্ঘ ১৮ মাস যাবৎ শাকিলের স্বাক্ষর দিয়ে চাকরি করি। আমি শাকিলের নামের স্বাক্ষর বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় এতদিন যাবৎ করে আসছি। বিষয় টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ সকলেই জানেন।মাসিক বেতন শাকিল ঢাকা থেকে এসে উঠায়।এ ব্যাপারে পক্ষিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এ টি এম লোকমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শাকিল গতকালও বিদ্যালয়ে ডিউটি করেছে। এরপর তাকে জসিমের বক্তব্য দেখালে প্রধান শিক্ষক লোকমান বিষয় টি এরিয়ে গিয়ে ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন ভাবে তদবীর চালান।তবে প্রধান শিক্ষক লোকমান বলেন, আমি শাকিলের বেতন থেকে কোন অংশ নেই না। একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের করা প্রশ্ন এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফাজলে নূর গোফরান জানান, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রকাশিত : শুক্রবার , ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ , রাত ০৯:৩৩।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার , ৪ মার্চ ২০২৬ , দুপুর ০১:২০
বোরহানউদ্দিনে প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে স্বাক্ষর জাল করে একজনের চাকুরি করেন অন্যজন
জসিম রানা, ভোলা। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ টি এম লোকমান এর যোগসাজসে চতুর্থ শ্রেনীর এক কর্মচারির চাকুরী করেন অন্যজনে। মাসিক বেতন নেন প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারী ভাগ করে।সূত্রে জানাযায়, প্রায় দুই বছর আগে পক্ষিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারির কোটায় চাকুরি হয় মোঃ শাকিল নামের এক যুবকের।কাগজপত্রে শাকিল এর নাম থাকলে ও শাকিল করেন রাজধানী ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি। এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লোকমানের যোগসাজসে শাকিলের চাকরি করেন জসিম উদ্দিন। মাসিক বেতন নেন শাকিল, প্রধান শিক্ষক ও জসিম উদ্দিন ভাগ করে।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জসিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি দীর্ঘ ১৮ মাস যাবৎ শাকিলের স্বাক্ষর দিয়ে চাকরি করি। আমি শাকিলের নামের স্বাক্ষর বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় এতদিন যাবৎ করে আসছি। বিষয় টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ সকলেই জানেন।মাসিক বেতন শাকিল ঢাকা থেকে এসে উঠায়।এ ব্যাপারে পক্ষিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এ টি এম লোকমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শাকিল গতকালও বিদ্যালয়ে ডিউটি করেছে। এরপর তাকে জসিমের বক্তব্য দেখালে প্রধান শিক্ষক লোকমান বিষয় টি এরিয়ে গিয়ে ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন ভাবে তদবীর চালান।তবে প্রধান শিক্ষক লোকমান বলেন, আমি শাকিলের বেতন থেকে কোন অংশ নেই না। একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের করা প্রশ্ন এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফাজলে নূর গোফরান জানান, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।